জাতীয়

পণ্যদ্রব্যে দামের ঊর্ধ্বগতি

রমজান যতই এগিয়ে আসছিল ততই অস্থির হচ্ছিলে ভোগ্য পণ্যের বাজার।রমজানের এক সপ্তাহ আগে চট্রগ্রামের খাতুনগঞ্জে বেড়েছে তেল,মরিচ,আলো,চাল,ডাল,রাঁধুনি, ছোলা, মসলাসহ অনেক পণ্যের দাম।খুচরা পেঁয়াজে দাম আরো বেশি বেড়েছে যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি।এমন পরিস্থিতির জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বগতিকে দায়ী করছেন পাইকাররা।আর এ পরিস্থিতিতে কঠোরভাবে নজরদারি করার জন্য দাবি জানিয়েছেন ক্যাব কতৃর্কপক্ষ কে।
রমজানের দুই সপ্তাহের আগে বেড়ে গিয়েছিলে অস্থিরভাবে ভোগ্য পণ্যের বাজার।দেশের অন্যতম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ আর সেখানেই ঊর্ধ্বমুখী প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম,এতে করে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন ক্রেতারা।বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার প্রতি চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩১ টাকায়।অবশ্য খোলা সয়াবিন এবং পামওয়েল তেলের দাম বাড়েনি।মিয়ানমারের ছোলায় আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়, মসুরের ডাল ৬৮ টাকা।আর বেড়েছে মসলার দাম,যেমন জিরা ৩০০ টাকা এবং দারুচিনি ২৭২ টাকা।এমন পরিস্থিতিতে পাইকারদের অভিযোগ দামের ঊর্ধ্বগতি এবং আরো দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছিলে পাইকাররা। আরে দাম বাড়ার কারণ অনেকেই জানিয়েছেন অনেক সময় ডেলিভারি করার অনেকটা সময় লেগে থাকে,আর এই সময়ের মধ্যে অনেক পাইকারি বা অসাধু ব্যবসায়ীরা তার দাম বাড়িয়ে ফেলে যার ফলে দামের ঊর্ধ্বগতি সৃষ্টি হয়।আর সেই পাইকারি বাজারের ঊর্ধ্বগতির ঢেউ লেগেছে খুচরা বাজারে।যেখানে প্রতিটি পণ্য বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে।তাতে অনেক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ক্রেতারা।
কিন্তু আজ রমজানের ১০ রোজার ওর সারা দেশে লকডাউনের কারনসহ অন্যান্য কারনে বেড়েছে অস্বাভাবিক পরিমানে পন্য দ্রব্যের দাম।এতে করে সরকারের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারন জনগন।তারা বলছেন, “সারা দেশে লকডাউন দেওয়ার কারনে উপার্জন করার মত কোন উপায় নেই তার মধ্যে শুরু হয়েছে রমজান।আর রমজানের কারনে একটু ভাল কিছু খাবে ত দূরের কথা অনেকেই খেতে পারছেন না।কারন সারাদেশে লকডাউন কাজ করার কন সুযোগ নেই।আর এ দিকে বাজারে গিয়ে বাজার মুল্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় চাল-৬৫ টাকা,তেল-১৪২ টাকা,আলু-২০ টাকা,পেয়াজ-৪০ টাকা,খেজুর-১২০ টাকাসহ অন্যান্য পন্যের দাম বেড়েছে অনেক।
ক্যাব মনে করেন যে দাম বাড়াতে অজুহাত বাড়িয়ে একজন আরেকজনকে দোষারোপ সৃষ্টি করছেন।যা বাজার কারসাজির একটা কৌশল।কিন্তু বিক্রেতারা আবার বলেন এটা অনেক কারনে বাজার দরমুল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, তারা কখনো এসব কাজের সাথে অবৈধতা করে নি।এস এম নাজির হোসেন (বিভাগীয় সভাপতি ক্যাব,চট্টগ্রাম) বলেন যে-ব্যবসায়ীরা ডিমান্ড এন্ড সাপ্লাই এর কথা বলে,বিভিন্ন বাজারে দোহাই দিয়ে বলে,আরে সবগুলোই হলো তাদের সাজানো নাটক।আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম বাড়ে। বাংলাদেশে আমদানি না হওয়ার পরেও আমাদের দেশে দাম বেড়ে যায়।সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে পুরো টিসিবিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন টিসিভি।
কিন্তু ভুক্তভেীরা চায় তাড়াতাড়ি লকডাউন খোলে দেওয়া হোক এতে করে তারা জাজ করার সুযোগ পাবে এবং পন্য দ্রব্যের বাড়তি মুল্য থাকলেও তারা ইনকামের মাধ্যমে সংসার চালাতে হবে।কারন ইনকাম না থাকলে সংসার চলা সম্ভব নয় তাই দেশের মানুষ চায় এর স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button