পশ্চিমবঙ্গে মমতার উন্নয়নের জোয়ার!

পশ্চিমবঙ্গে মমতার উন্নয়নের জোয়ার!

পশ্চিমবঙ্গে মমতার উন্নয়নের জোয়ার

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের সব জরিপে দেখা গিয়েছে যে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতা থাকায় রাজ্যটির শিক্ষা, কৃষি আর নারী উন্নয়নে সব দিক দিয়ে গুরুত্ব দিয়েছে দেশটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল “স্বাস্থ্য সাথী” নামে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার সূচনা করা। তবে ধর্ষণে পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষস্থানে তার ভাইপোসহ ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাসীন সরকার যা মমতার উন্নয়নমুখী কাজে বাধা সৃষ্টি করেছে। তবে সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে মমতার উন্নয়নের জোয়ার থেমে নেই!

একসময় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের লাগুয়া রাজ্যটিতে ১০ বছরের শাসনামলে তার অবদান আছে সামাজিক সুরক্ষাসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে। এক দশকে প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বেশকিছু প্রকল্প হাতে নেয় মমতা সরকার। “স্বাস্থ্য সাথী” নামে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার সূচনা হয় তার হাত ধরেই। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহ আরও বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কাজ এর মধ্যে মুখ্য হলো ২৫০০০০ পুকুর খননের মাধ্যমে বন্যার কবল থেকে রক্ষার উদ্যোগ নেন তৃণমূল সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: কাশ্মীর আসলে কার?

শিক্ষা কৃষিতে উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন বরাবর ইশতিয়ারে গুরুত্ব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস যা অন্য সরকারের সময় সে সব সহযোগিতা গুলো খুব কম পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ।এ ছাড়াও তিনি ১ কোটি ৩৮ লাখ মৎস্যচাষীকে দিয়েছেন বায়োমেট্রিক ঔষধ। কৃষিনির্ভর জঙ্গলমহলের উন্নয়নও মমতা সরকারের অন্যতম অর্জন।

মহামারি করোনার মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম সমুন্নত রাখতেই শিক্ষার্থীদের ১০০০০ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেয় রাজ্য সরকার।মমতার দাবি বিগত বছরে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা খাতে উন্নয়ন বেড়েছে কয়েক গুণ। তবে ভারতে ধর্ষণের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ তালিকার শীর্ষে থাকা আইন-শৃঙ্খলা রসাতলে চলে গেছে বলে অভিযোগ তার বিরোধীদের। ভাইপো অভিষেকসহ ঘনিষ্ঠ জনদের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়োগ বাণিজ্য, একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতাদের।

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৫৫ সালে ৫ই জানুয়ারিতে জন্মগ্রহ করেন আর তিনিই হলে ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। ২০১১ সাল থেকে ক্ষমতায় সূক্ষ্মভাবে রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন। তার দল তৃণমূল কনগ্রেসকে বার বার বিজেপির হাতে অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে; কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি।

বর্তমান সময়ে একটি সত্য কথা হলো, কলকাতার বাংলা ভাষাভাষী সকল অভিনেতা বা অভিনেত্রীরা তাকে ভালোবেসে তার দলে যোগ দিচ্ছেন। এতে করে তার দলের জনপ্রিয়তাটা আগের থেকে একটু বেশিই ধারণা করা যায়।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

Leave a Comment